মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন

Headline :
বিআইডব্লিউটিএ-এ ড্রেজিং বিভাগে মেগা দুর্নীতিঃ ন্দী খননের নামে শ্ত কোটী টাকা লুটপাট গণপূর্তে আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে দুদকে আবেদন ইরানে সামরিক উত্তেজনার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের ১১ দেশে মার্কিন সতর্কতা জারি মেসির অবসরে আবেগঘন শ্রদ্ধা জানালেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবলাররা সিএসএসে ১৫০ লোন অফিসার নিয়োগ, সরাসরি পরীক্ষার সুযোগ নতুন পে-স্কেলে মূল্যস্ফীতি ও অর্থায়নের চ্যালেঞ্জ দেখছেন অর্থনীতিবিদরা হিমালয়ের দুর্যোগ মোকাবিলায় বৈশ্বিক দায়িত্বের আহ্বান শাহর গুলশানের ফ্ল্যাট মামলায় টিউলিপের অভিযোগ গঠনের শুনানি ১১ জানুয়ারি লোডশেডিং কমাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, দেড়-দুই বছরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ বিপিএল স্থগিতের সিদ্ধান্তে দীর্ঘমেয়াদী সুফলের জন্য ক্রিকেটারদের বড় ত্যাগ

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

অনলাইন ডেস্ক / ২৩ Time View
Update Time : মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের আপিল ও নাম পুনর্বহাল

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের আপিল নিষ্পত্তিতে ৯১ শতাংশের বেশি নাম আবার তালিকায় ফিরেছে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার পর এই তথ্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

নির্বাচন কমিশনের আরটিআই তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৮২ হাজার ৭৮২টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ হাজার ৪৪৩ জনের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা আপিলে ৯১ শতাংশ নাম ফিরল

নিষ্পত্তি হওয়া আপিলের মধ্যে সাত হাজার ৩৩৯ জনের নাম তালিকার বাইরে রয়ে গেছে।

অর্থাৎ সিদ্ধান্ত হওয়া মামলার ৯১ দশমিক ১৩ শতাংশেই ভোটারের নাম পুনর্বহাল হয়েছে।

কংগ্রেস সংসদ সদস্য ইশা খান চৌধুরীর তথ্য অধিকার আবেদনের জবাবে এসব পরিসংখ্যান দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরটিআই তথ্যটি পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।

৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৩৮ লাখ ১০ হাজার ৬২০টি আপিল জমা পড়েছিল।

তবে এর মধ্যে মাত্র ৮২ হাজার ৭৮২টির নিষ্পত্তি হয়েছে, যা মোট আপিলের ২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

ফলে ৩৭ লাখ ২৭ হাজার ৮৩৮টি আপিল তখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল।

ভারতের নির্বাচনসংক্রান্ত আরও খবর জানতে দৈনিক ঢাকা বিডি ২৪ আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন।

আপিলের সংখ্যায় বড় অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন

আরটিআই তথ্যে আপিলের মোট সংখ্যা নিয়েও বড় পার্থক্য সামনে এসেছে। এসআইআর পর্যালোচনায় ২৭ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ ভোটারকে ‘অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

কিন্তু আপিল জমা পড়েছে ৩৮ লাখ ১০ হাজার ৬২০টি। অর্থাৎ অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত ভোটারের তুলনায় আপিলের সংখ্যা ১০ লাখ ৮২ হাজার ১২০টি বেশি।

ইশা খান চৌধুরী এই পার্থক্যের ব্যাখ্যা নির্বাচন কমিশনের কাছে চেয়েছেন।

তার অভিযোগ, অতিরিক্ত আপিলের একটি অংশ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যে কমিশন বা অন্য পক্ষ থেকে করা হয়েছে।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পৃথক ব্যাখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

ফলে আপিলের সংখ্যা কেন অযোগ্য ভোটারের চেয়ে বেশি, সেই প্রশ্ন এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।

ইশা খান চৌধুরীর মতে, বিপুলসংখ্যক সফল আপিল প্রাথমিক বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

তার দাবি, প্রকৃত ভোটারদের অনেকে প্রথম পর্যায়ে তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই পরিসংখ্যান এখন রাজনৈতিক বিতর্কের নতুন বিষয় হয়ে উঠেছে। পরবর্তী আপডেট আরও জানতে দৈনিক ঢাকা বিডি ২৪ এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *