মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
এইচ-১বি ভিসার ফি ব্যাপকভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন প্রস্তাবে ক্যাপ-সাপেক্ষ প্রতিটি আবেদনে অতিরিক্ত ১ লাখ ৩ হাজার ২৬৫ ডলার ফি রাখা হয়েছে।
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রস্তাবটি ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করেছে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত নিয়ম নয় এবং জনমত নেওয়ার পর সিদ্ধান্ত হবে।
প্রস্তাব কার্যকর হলে বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগের ব্যয় অনেক বাড়বে। বিশেষ করে ভারতীয় পেশাজীবীদের ওপর এর বড় প্রভাব পড়তে পারে।
ইউএসসিআইএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবছরে ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪০২টি এইচ-১বি আবেদন অনুমোদিত হয়। এর ৭১ শতাংশ সুবিধাভোগীর জন্মস্থান ছিল ভারত।
ফলে প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও প্রকৌশল খাতে কাজ করা ভারতীয়দের জন্য পরিবর্তনটি গুরুত্বপূর্ণ। বাড়তি ব্যয় নিয়োগ, কর্মী ধরে রাখা এবং স্পনসরশিপের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনসংক্রান্ত আরও খবর জানতে দৈনিক ঢাকা বিডি ২৪ আরও জানুন বিভাগ দেখতে পারেন। তবে ক্যাপ-মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কিছু অলাভজনক ও নির্দিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানের আবেদনে নতুন ফি প্রযোজ্য হবে না।
এদিকে এফ-১ শিক্ষার্থীদের অপশনাল প্রাকটিক্যাল ট্রেনিং বা ওপিটি নিয়েও আলাদা ফি প্রস্তাব পর্যালোচনায় রয়েছে। সম্ভাব্য ১ লাখ ডলার ফি নিয়ে আলোচনা হলেও বিস্তারিত এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হয়নি।
আরেক প্রস্তাবে চাকরি হারানো এইচ-১বি কর্মীদের ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের বিষয় বিবেচনায় আছে। নিয়মটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং হোয়াইট হাউসের পর্যালোচনায় রয়েছে।
বর্তমান ব্যবস্থায় যোগ্য কর্মীরা চাকরি হারালে সর্বোচ্চ ৬০ দিন নতুন স্পনসর খুঁজতে পারেন। একই সময়ে তারা অন্য বৈধ অভিবাসন স্ট্যাটাসেও যেতে পারেন।
এই সুযোগ বাতিল হলে বৈধ অবস্থান ধরে রাখার সময় অনেক কমে যেতে পারে। ফলে কর্মী এবং নির্ভরশীল পরিবারের ওপর দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপ বাড়বে।
এর আগে ১ লাখ ডলারের পৃথক এইচ-১বি অর্থপ্রদানের নির্দেশ আদালতে বাধার মুখে পড়ে। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরকারের আপিল এখনো বিচারাধীন রয়েছে।
এইচ-১বি ভিসার ফি নিয়ে বর্তমান উদ্যোগ তাই এখনো প্রস্তাবের পর্যায়ে আছে। চূড়ান্ত নিয়ম প্রকাশের আগে কার্যকর তারিখ ও পূর্ণ আওতা নিশ্চিত নয়।
পরবর্তী অভিবাসন আপডেট আরও জানতে দৈনিক ঢাকা বিডি ২৪ এক্স পেজ অনুসরণ করতে পারেন। প্রস্তাবগুলো কার্যকর হলে ভারতীয় কর্মী ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর বড় প্রভাব পড়তে পারে।