মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

Headline :
বিআইডব্লিউটিএ-এ ড্রেজিং বিভাগে মেগা দুর্নীতিঃ ন্দী খননের নামে শ্ত কোটী টাকা লুটপাট গণপূর্তে আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে দুদকে আবেদন ইরানে সামরিক উত্তেজনার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের ১১ দেশে মার্কিন সতর্কতা জারি মেসির অবসরে আবেগঘন শ্রদ্ধা জানালেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবলাররা সিএসএসে ১৫০ লোন অফিসার নিয়োগ, সরাসরি পরীক্ষার সুযোগ নতুন পে-স্কেলে মূল্যস্ফীতি ও অর্থায়নের চ্যালেঞ্জ দেখছেন অর্থনীতিবিদরা হিমালয়ের দুর্যোগ মোকাবিলায় বৈশ্বিক দায়িত্বের আহ্বান শাহর গুলশানের ফ্ল্যাট মামলায় টিউলিপের অভিযোগ গঠনের শুনানি ১১ জানুয়ারি লোডশেডিং কমাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, দেড়-দুই বছরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ বিপিএল স্থগিতের সিদ্ধান্তে দীর্ঘমেয়াদী সুফলের জন্য ক্রিকেটারদের বড় ত্যাগ

গভীর সংকটে সিটি গ্রুপ: ঋণের পাহাড় ও অপরিকল্পিত বিনিয়োগে দেউলিয়ার পথে শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী

Reporter Name / ১৮ Time View
Update Time : মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
আর্থিক সংকটে দেউলিয়ার পথে সিটি গ্রুপ ও বিশাল ঋণ

দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী সিটি গ্রুপ বর্তমানে নজিরবিহীন আর্থিক সংকট ও ঋণের বিশাল পাহাড়ের চাপে পড়ে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

মূলত ৪৭টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে সংস্থাটির ২৪ হাজার ১৮৫ কোটি টাকার দেনা জমে দেউলিয়া হওয়ার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ফলে এই সুবিশাল ঋণের বোঝা এবং দেশের মুদ্রা বিনিময় হারের আকস্মিক পরিবর্তনে গ্রুপটি বিশাল বাণিজ্যিক লোকসানের শিকার হয়।

​ইতঃপূর্বে অর্জিত রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অন্যায্য সুবিধা গ্রহণ এবং ব্যাংক থেকে অনিয়মিত ফান্ড বের করার জোরালো অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

বর্তমানের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই সব অনৈতিক সুবিধা একবারে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো সাম্রাজ্যে বড় ধস নেমেছে।

🕸️ দেশের শিল্প ও বাণিজ্যের সার্বিক অর্থনীতি বিষয়ক খবর পাওয়ার জন্য আমাদের সাইটে আরও জানুন

আর্থিক সংকট ও হোসেন্দী ইকনোমিক জোন

​মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চলে সিটি গ্রুপের অলস পড়ে থাকা ছয়টি প্রকল্পে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা আটকে আছে।

এতে নিয়মিত অতিরিক্ত সুদের বোঝা জমা হতে থাকায় প্রতিদিন প্রতিষ্ঠানটির গড়ে প্রায় ৫ কোটি টাকা সরাসরি লোকসান গুনতে হচ্ছে।

তাই চরম এই আর্থিক সংকট কাটাতে আটটি চা বাগানসহ কিছু অর্থনৈতিক অঞ্চল বিক্রি করার জোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

​অন্যদিকে নজিরবিহীন এই তারল্য সংকটে পড়ে অনেক দেশি ও বিদেশি ব্যাংকের দেনা নিয়মিতভাবে পরিশোধ করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে কোনো বড় শিল্পগোষ্ঠী হঠাৎ খেলাপি হয়ে পড়লে তা দেশের পুরো ব্যাংকিং খাতের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

সুতরাং ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া বিশাল অংকের খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার করা নিয়ে বেশ সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

​বিশাল দেনা ও অস্তিত্বের আর্থিক সংকট

​অতীতে রাজনীতিকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বাণিজ্যিক স্বার্থ উদ্ধার করার অনৈতিক প্রবণতাই মূলত এই শিল্পগোষ্ঠীকে আজ চরম সংকটে ঠেলে দিয়েছে। কারণ নিয়মিত মূলধনের চরম অভাব ও জমে থাকা খেলাপি দেনার কারণে তারা বাজার থেকে মূলধন তোলার নতুন ঝুঁকি নিচ্ছে।

​পরিশেষে বলা যায় যে সঠিক পরিকল্পনা ও নীতিগত সংস্কার ছাড়া এত বড় বাণিজ্যিক সংকট নিরসন করা মোটেও সহজসাধ্য ব্যাপার নয়।

তাই দেউলিয়া হওয়া থেকে বাঁচতে সরকারি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী যৌথ আইনি পদক্ষেপগুলোর দিকে নজর রাখছে পুরো দেশবাসী। নিয়মিত আপডেট পেতে এক্স পেজ ফলো করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *